ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে। তবে হামলায় ব্যবহৃত মিসাইলটি প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। সোমবার জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানিয়েছেন।
মিসাইল হামলায় কতটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে সৌদি জোটের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে হামলার আগে সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুসাইত, তাইফ ও নারজান শহরে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর পরপরই হুথিদের ছোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিহত করার কথা জানায় সৌদি জোট।
সতর্কতা জারির সময় সৌদি সরকার সাধারণ মানুষকে মিসাইল ও ড্রোন হামলার ভিডিও ধারণ না করার আহ্বান জানায়।
এদিকে মিসাইল হামলার আগে ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও তেল স্থাপনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় সাতজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হুথিরা। সোমবার হুথি বিদ্রোহীরা এ তথ্য জানায়।
হুথিদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত রাস ইসা বন্দরে প্রথমে হামলা চালায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এতে চারজন বেসামরিক মানুষ আহত হন। পরে বাজিল জেলার একটি তেল স্থাপনায় হামলা চালানো হলে সেখানে আরও তিনজন আহত হন। তাঁরাও বেসামরিক নাগরিক বলে দাবি করেন এই হুথি কর্মকর্তা।
আনিস আলসাবাহি বলেন, তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে বারবার হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। ইয়েমেনের বেসামরিক মানুষ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার মাধ্যমে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের তালিকায় এটি আরও একটি সংযোজন।
সূত্র: আল-জাজিরা।
মতামত