ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক জনপদের খবর

যানজটমুক্ত মহাখালী, স্বস্তি এলাকাবাসীর



যানজটমুক্ত মহাখালী, স্বস্তি এলাকাবাসীর

দীর্ঘদিনের যানজট, সড়কে যত্রতত্র বাস পার্কিং ও অব্যবস্থাপনার কারণে মহাখালী বাস টার্মিনাল ও আউটগেট এলাকা ছিল রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ও ভোগান্তিপূর্ণ সড়কপথ। তবে অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ, অপেক্ষমাণ বাস নির্দিষ্ট ডিপোতে সরিয়ে নেওয়া এবং ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত নজরদারিতে বদলে গেছে পরিস্থিতি।

গত কয়েক দিন ধরে মহাখালী এলাকায় আগের সেই দীর্ঘ যানজট দেখা যাচ্ছে না। এতে স্বস্তি ফিরেছে যাত্রী, চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

যানজট নিরসনে প্রায় দুই মাস আগে বিশেষভাবে কাজ শুরু করে ট্রাফিক পুলিশ। তবে এর মধ্যে আউটগেট এলাকায় গ্যাসের সংকট নতুন করে সমস্যা তৈরি করে।

ওই এলাকায় থাকা ছয়টি সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ির সারি তৈরি হতো। এতে সড়কের একটি বড় অংশ দখল হয়ে গিয়ে অন্যান্য যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হতো।

বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেই সমস্যাও অনেকটা কমেছে।

এর পাশাপাশি সড়কের ওপর দূরপাল্লার বাসের পার্কিং বন্ধ এবং অপেক্ষমাণ বাসগুলো নির্দিষ্ট ডিপোতে স্থানান্তরের ফলে মহাখালী ও আশপাশের সড়কে যান চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের দাবি, অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকায় এ পরিবর্তন এসেছে।

মহাখালী এলাকার দীর্ঘদিনের বাসিন্দা মো. সুরাফ হোসেন (৬০)। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমার বাসা মহাখালী কলেরা হাসপাতালের পাশে। প্রতিদিন মহাখালী জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যাই। কিন্তু বছরের পর বছর এই এলাকায় তীব্র যানজট লেগে থাকত। দূরপাল্লার বাসগুলো টার্মিনালে জায়গার অভাবে কিংবা অন্য কোনো কারণে সড়কের ওপর এক-দুই সারিতে পার্ক করে রাখত। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত।’

তিনি বলেন, ‘এমনকি কলেরা হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ঢোকার সময় রোগী ও তাদের স্বজনদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো। পুলিশ মাঝেমধ্যে এসে বাস সরিয়ে দিলেও কিছুক্ষণ পর আবার আগের পরিস্থিতি ফিরে আসত। তবে গত কিছুদিন ধরে এলাকায় সেই চিরচেনা যানজট আর চোখে পড়ছে না। পুলিশ প্রশাসনও বেশ তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে।’

সুরাফ হোসেন আরও বলেন, ‘মহাখালী রেলগেট ও বাস টার্মিনাল এলাকা ২৪ ঘণ্টাই অত্যন্ত ব্যস্ত থাকে। এখানে কলেরা হাসপাতালসহ কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল এবং অসংখ্য অফিস-আদালত রয়েছে। তাই রাস্তাটি যানজটমুক্ত থাকলে আমাদের সবার জন্যই সুবিধা হয়।’

যানজট কমে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গাজীপুর-গুলিস্তান রুটে চলাচলকারী বলাকা পরিবহনের যাত্রী মো. মহসিন হোসেন (৩২)। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে প্রতিদিন জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে বলাকা পরিবহনে মহাখালী এসে নামি। এরপর মোহাম্মদপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিস করি। আগে মহাখালী টার্মিনালের বাসগুলো সড়কের ওপর পার্ক করে রাখায় সকাল-বিকেলে তীব্র যানজট লেগেই থাকত। কাকলী থেকেই প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট যানজটে আটকে থাকতে হতো।’

তিনি বলেন, ‘গত কিছুদিন ধরে দেখছি, টার্মিনালের বাসগুলো রাস্তায় দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে মহাখালী এলাকা অনেকটাই যানজটমুক্ত হয়েছে। এতে আমাদের মতো অফিসগামী মানুষের অনেক উপকার হয়েছে। কর্তৃপক্ষের কাছে আমার একটাই দাবি—নতুন করে যেন কেউ সড়কের ওপর বাস পার্কিং করতে না পারে।’

ডিপোতে বাস স্থানান্তরেই সুফল

গুলশান ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, মহাখালীর যানজট নিরসনে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মহাখালীর গ্যাপের বা ওয়েটিং বাসগুলো পূর্বাচলে রাজউকের একটি নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তর করা।

তিনি বলেন, ‘ডিপোর কাজ এখনো চলমান। এরই মধ্যে সেখানে পরিবহন শ্রমিকদের আবাসন, টয়লেট, খাবারের ব্যবস্থা, যাতায়াত ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজউকের মাধ্যমে শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে অস্থায়ীভাবে বড় তাঁবু তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। রাজউকের আবাসন হয়ে গেলে তারা সেখানে স্থায়ীভাবে থাকতে পারবেন।’

এডিসি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘টার্মিনাল ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে ট্রাফিক গুলশান বিভাগের পক্ষ থেকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিপোর কাজ পুরোপুরি শেষ হলে পরিস্থিতি আরও ভালো হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

তিনি জানান, যানজট নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত জনবলের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্সও মোতায়েন করা হয়েছে। তবে শুধু জনবল মোতায়েন নয়, অপেক্ষমাণ বাসগুলো ডিপোতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটিই বেশি কার্যকর হয়েছে।

অব্যাহত থাকবে মনিটরিং

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে এডিসি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘গ্যাপের বা ওয়েটিং গাড়িগুলো ডিপোতে পাঠানো নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে মানুষ স্বস্তি পাবে এবং যানজটও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’

তিনি বলেন, নিয়মিত জনবলের পাশাপাশি বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম চলবে। প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা ও ফোর্স মোতায়েন বাড়ানো হবে।

সড়কে মামলা ও রেকারিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় মামলা করা বা রেকারিং করা আমাদের মূল ফোকাস নয়; এটি নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। মহাখালী হোক বা অন্য কোথাও, সড়কে অবৈধ পার্কিং থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও আউটগেট এলাকার বর্তমান শৃঙ্খলা ধরে রাখতে সড়কে বাস পার্কিং বন্ধ, অপেক্ষমাণ যানবাহন নির্ধারিত ডিপোতে রাখা এবং নিয়মিত ট্রাফিক মনিটরিং অব্যাহত রাখা জরুরি। এসব কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চললে দীর্ঘদিনের যানজটের সমস্যা আরও কমে আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দৈনিক জনপদের খবর

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যানজটমুক্ত মহাখালী, স্বস্তি এলাকাবাসীর

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দীর্ঘদিনের যানজট, সড়কে যত্রতত্র বাস পার্কিং ও অব্যবস্থাপনার কারণে মহাখালী বাস টার্মিনাল ও আউটগেট এলাকা ছিল রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ও ভোগান্তিপূর্ণ সড়কপথ। তবে অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ, অপেক্ষমাণ বাস নির্দিষ্ট ডিপোতে সরিয়ে নেওয়া এবং ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত নজরদারিতে বদলে গেছে পরিস্থিতি।

গত কয়েক দিন ধরে মহাখালী এলাকায় আগের সেই দীর্ঘ যানজট দেখা যাচ্ছে না। এতে স্বস্তি ফিরেছে যাত্রী, চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

যানজট নিরসনে প্রায় দুই মাস আগে বিশেষভাবে কাজ শুরু করে ট্রাফিক পুলিশ। তবে এর মধ্যে আউটগেট এলাকায় গ্যাসের সংকট নতুন করে সমস্যা তৈরি করে।

ওই এলাকায় থাকা ছয়টি সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ির সারি তৈরি হতো। এতে সড়কের একটি বড় অংশ দখল হয়ে গিয়ে অন্যান্য যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হতো।

বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেই সমস্যাও অনেকটা কমেছে।

এর পাশাপাশি সড়কের ওপর দূরপাল্লার বাসের পার্কিং বন্ধ এবং অপেক্ষমাণ বাসগুলো নির্দিষ্ট ডিপোতে স্থানান্তরের ফলে মহাখালী ও আশপাশের সড়কে যান চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের দাবি, অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকায় এ পরিবর্তন এসেছে।

মহাখালী এলাকার দীর্ঘদিনের বাসিন্দা মো. সুরাফ হোসেন (৬০)। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমার বাসা মহাখালী কলেরা হাসপাতালের পাশে। প্রতিদিন মহাখালী জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যাই। কিন্তু বছরের পর বছর এই এলাকায় তীব্র যানজট লেগে থাকত। দূরপাল্লার বাসগুলো টার্মিনালে জায়গার অভাবে কিংবা অন্য কোনো কারণে সড়কের ওপর এক-দুই সারিতে পার্ক করে রাখত। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত।’

তিনি বলেন, ‘এমনকি কলেরা হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ঢোকার সময় রোগী ও তাদের স্বজনদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো। পুলিশ মাঝেমধ্যে এসে বাস সরিয়ে দিলেও কিছুক্ষণ পর আবার আগের পরিস্থিতি ফিরে আসত। তবে গত কিছুদিন ধরে এলাকায় সেই চিরচেনা যানজট আর চোখে পড়ছে না। পুলিশ প্রশাসনও বেশ তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে।’

সুরাফ হোসেন আরও বলেন, ‘মহাখালী রেলগেট ও বাস টার্মিনাল এলাকা ২৪ ঘণ্টাই অত্যন্ত ব্যস্ত থাকে। এখানে কলেরা হাসপাতালসহ কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল এবং অসংখ্য অফিস-আদালত রয়েছে। তাই রাস্তাটি যানজটমুক্ত থাকলে আমাদের সবার জন্যই সুবিধা হয়।’

যানজট কমে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গাজীপুর-গুলিস্তান রুটে চলাচলকারী বলাকা পরিবহনের যাত্রী মো. মহসিন হোসেন (৩২)। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে প্রতিদিন জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে বলাকা পরিবহনে মহাখালী এসে নামি। এরপর মোহাম্মদপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিস করি। আগে মহাখালী টার্মিনালের বাসগুলো সড়কের ওপর পার্ক করে রাখায় সকাল-বিকেলে তীব্র যানজট লেগেই থাকত। কাকলী থেকেই প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট যানজটে আটকে থাকতে হতো।’

তিনি বলেন, ‘গত কিছুদিন ধরে দেখছি, টার্মিনালের বাসগুলো রাস্তায় দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে মহাখালী এলাকা অনেকটাই যানজটমুক্ত হয়েছে। এতে আমাদের মতো অফিসগামী মানুষের অনেক উপকার হয়েছে। কর্তৃপক্ষের কাছে আমার একটাই দাবি—নতুন করে যেন কেউ সড়কের ওপর বাস পার্কিং করতে না পারে।’

ডিপোতে বাস স্থানান্তরেই সুফল

গুলশান ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, মহাখালীর যানজট নিরসনে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মহাখালীর গ্যাপের বা ওয়েটিং বাসগুলো পূর্বাচলে রাজউকের একটি নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তর করা।

তিনি বলেন, ‘ডিপোর কাজ এখনো চলমান। এরই মধ্যে সেখানে পরিবহন শ্রমিকদের আবাসন, টয়লেট, খাবারের ব্যবস্থা, যাতায়াত ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজউকের মাধ্যমে শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে অস্থায়ীভাবে বড় তাঁবু তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। রাজউকের আবাসন হয়ে গেলে তারা সেখানে স্থায়ীভাবে থাকতে পারবেন।’

এডিসি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘টার্মিনাল ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে ট্রাফিক গুলশান বিভাগের পক্ষ থেকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিপোর কাজ পুরোপুরি শেষ হলে পরিস্থিতি আরও ভালো হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

তিনি জানান, যানজট নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত জনবলের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্সও মোতায়েন করা হয়েছে। তবে শুধু জনবল মোতায়েন নয়, অপেক্ষমাণ বাসগুলো ডিপোতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটিই বেশি কার্যকর হয়েছে।

অব্যাহত থাকবে মনিটরিং

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে এডিসি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘গ্যাপের বা ওয়েটিং গাড়িগুলো ডিপোতে পাঠানো নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে মানুষ স্বস্তি পাবে এবং যানজটও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’

তিনি বলেন, নিয়মিত জনবলের পাশাপাশি বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম চলবে। প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা ও ফোর্স মোতায়েন বাড়ানো হবে।

সড়কে মামলা ও রেকারিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় মামলা করা বা রেকারিং করা আমাদের মূল ফোকাস নয়; এটি নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। মহাখালী হোক বা অন্য কোথাও, সড়কে অবৈধ পার্কিং থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও আউটগেট এলাকার বর্তমান শৃঙ্খলা ধরে রাখতে সড়কে বাস পার্কিং বন্ধ, অপেক্ষমাণ যানবাহন নির্ধারিত ডিপোতে রাখা এবং নিয়মিত ট্রাফিক মনিটরিং অব্যাহত রাখা জরুরি। এসব কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চললে দীর্ঘদিনের যানজটের সমস্যা আরও কমে আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীরা।


দৈনিক জনপদের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক: লিমা ইয়াসমিন
নির্বাহী সম্পাদক : সাইফুল ইসলাম খান
বার্তা সম্পাদক : এস টি শাহিন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক জনপদের খবর
যানজটমুক্ত মহাখালী, স্বস্তি এলাকাবাসীর
0:00 0:00
1.0x