তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট হারানোয় এখনো স্বস্তিতে নেই স্বাগতিকেরা। হৃদয়ের শতকের পরপরই লাঞ্চ বিরতিতে গেছে দুই দল।
তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ২৯ ওভারে ১১৭ রান যোগ করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে হারিয়েছে চার উইকেট। লাঞ্চে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ২০৫। ১৭১ বলে ১০০ রানে ব্যাট করছেন হৃদয়। ১৪ বলে ১ রানে খেলছেন তাইজুল। এখনো ১৫১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
দিনের শুরুতে ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম ধীরে ধীরে দলের রান এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তাদের ৭৩ রানের জুটি ভাঙে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে মুশফিকের বিদায়ে। ৩৪ রান করে শর্ট কভারে ব্র্যান্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। তাতে টেস্টে ৭ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষা আরও বাড়ে তার।
এরপর দ্রুতই ফিরে যান লিটন দাস। ওয়ারিক্যানের ফুল লেংথ ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ দেন তিনি। ৮ রান করে ফেরেন লিটন। একই স্পেলে বাংলাদেশের আরও বিপদ বাড়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার।
অন্য প্রান্তে অবশ্য দায়িত্বশীল ব্যাটিং চালিয়ে যান হৃদয়। ১০৯ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এই ব্যাটসম্যান। মাত্র ৬১ বলে পরের ৫০ রান তুলে ১৭১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। রোস্টন চেইসের ওভারের প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান তিনি।
তবে হৃদয়ের সেঞ্চুরির পথে সতীর্থদের উইকেট হারানো থামেনি। মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ রান করে চেইসের বলে ক্যাচ দেন। এরপর জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাসান মাহমুদ। ১ রান করেন তিনি। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের চার উইকেটের মধ্যে তিনটিই নিয়েছেন ওয়ারিক্যান। লাঞ্চের সময়ও ক্রিজে আছেন হৃদয়। তার সেঞ্চুরিই এখন বাংলাদেশের ইনিংসের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
মতামত