চলমান শ্রমিক আন্দোলন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বা অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
সরকারের নীতিনির্ধারক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং ব্যবসায়ীদের বৈঠকে শ্রমিক আন্দোলনের নামে শিল্পকারখানায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
মোহাম্মদ হাতেম বলেন, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করা, কারখানার ক্ষতির উদ্দেশ্যে এই আন্দোলন। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এসব করা হচ্ছে। শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন হয়েছে। সেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধি রয়েছে। আলোচনার টেবিলে বসে সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ হবে বলে জানান বিকেএমইএ সভাপতি।
তিনি এই আন্দোলনের পেছনে কারও উসকানি থাকলে তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে আহ্বান জানান।
বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, এক দিনের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও মোট রফতানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ক্রেতারা সময়মতো পণ্য পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হবেন। দীর্ঘমেয়াদে এতে তাদের আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মতামত