হুতিদের সামনে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী কেন খড়কুটোর মতো উড়ে গেল
ইয়েমেনের হুতি আন্দোলন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। মায়ুন দ্বীপ দখলের পাশাপাশি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী পেরিম দ্বীপ থেকে সরে যাওয়ার পর প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ হুতিদের হাতে যায়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের অনুগত বাহিনীর অবস্থান দ্রুত ভেঙে পড়ার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এর এক দিন আগে, প্রায় এক সপ্তাহের তীব্র লড়াইয়ের পর হুতিরা লোহিত সাগরের শহর মোখা র নিয়ন্ত্রণ নেয়। সরকারি বাহিনীর অবস্থান এত দ্রুত বদলে যাওয়ায় ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে তাদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যাহারের কিছুক্ষণ আগেও ওই এলাকায় সরকারি বাহিনীর অগ্রযাত্রার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। এরপর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাদের প্রতিরক্ষা অবস্থান ভেঙে পড়ে।
লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবি আল–জাদিদ বা দ্য নিউ আরবকে হুতির এক কর্মকর্তা গত শুক্রবার জানান, তারা মায়ুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং বাব এল-মান্দেবের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে। দুই সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী পেরিম দ্বীপ থেকে সরে গেছে। বাব এল-মান্দেব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
সর্বশেষ এই পরিস্থিতির আগে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলজুড়ে সরকারি বাহিনী একের পর এক এলাকা থেকে সরে যায়। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অনুগত বাহিনী বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছে অবস্থিত মোখা থেকে সরে যায়। এর আগে তারা হাইস ও আল-ওয়াজিয়াহ জেলা থেকেও প্রত্যাহার করে।
সরকারি সূত্র দ্য নিউ আরবকে জানায়, গত সপ্তাহের বুধবার সন্ধ্যায় সেনাদের মোখা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কেন এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সেনাদের কাছে এই প্রত্যাহারকে ‘পুনর্বিন্যাস’ বা ‘redeployment’-এর অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
এরপর সরকারি বাহিনী শহরে অবস্থিত জয়েন্ট ফোর্সেসের বিভিন্ন ইউনিটের সদর দপ্তর ছাড়তে শুরু করে। পরে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সকালে ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল তারেক সালেহ জানান, পশ্চিম উপকূলে থাকা বাহিনীকে তাদের ‘অবস্থান পুনর্গঠন’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হুতি বাহিনী বিভিন্ন যুদ্ধফ্রন্ট ভেদ করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পর জয়েন্ট ফোর্সেস মোখার দক্ষিণে একটি নতুন কমান্ড সেন্টার স্থাপন করেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হুতিরা তীব্র গোলাবর্ষণের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে এসব ফ্রন্ট ভেঙে দিয়েছে।
সালেহ আরও বলেন, পশ্চিম উপকূলের সশস্ত্র বাহিনী, ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স, জায়ান্টস ও নেশনস শিল্ড বাহিনী এবং গভর্নরেটের পশ্চিমে তাইজ অক্ষের ইউনিটগুলো গত কয়েক দিনে হুতিদের হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে শহীদ ও আহতসহ বড় ধরনের মূল্য দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আরব জোটের নেতৃত্ব ও লিডারশিপ কাউন্সিলের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি নিরাপদ স্থানে বিকল্প কমান্ড সেন্টার গঠনের নির্দেশ দিয়েছি, যাতে বাহিনীগুলোকে আবার একত্র করা যায়।’
তবে সালেহ কোথায় আছেন, তাঁর অধীনে থাকা বাহিনীগুলোর বর্তমান অবস্থা কী এবং মোখার দক্ষিণে যে কমান্ড সেন্টার স্থাপনের কথা তিনি বলেছেন সেটি ঠিক কোথায়, সে বিষয়ে পরে আর কোনো সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অনিশ্চিত কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই কমান্ড সেন্টার ধুবাব এলাকায় হতে পারে।
প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল, জয়েন্ট ফোর্সেসের কমান্ড এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও বাহিনীগুলোর পুনর্গঠনের ঘোষণার পর তাদের পরবর্তী অবস্থান বা ভাগ্য নিয়ে আর কোনো বিবৃতি দেয়নি। এই অস্পষ্টতা ইয়েমেনে ব্যাপক প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে সরকারি বাহিনী আগে তাদের অগ্রযাত্রার কথা জানানোর পর মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে মাঠের পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যাওয়ায় কী ঘটেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন আরও বেড়েছে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সেনা প্রত্যাহারের আগের কয়েক দিন মোখা শহর তীব্র চাপের মধ্যে ছিল। শহরটিতে কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। একই সময়ে তাইজের পশ্চিমে বিভিন্ন ফ্রন্টে হুতিরা হাজার হাজার যোদ্ধা মোতায়েন করার পর তাদের অগ্রযাত্রাও দ্রুত বাড়ে।
মোখা ইয়েমেনের তাইজ গভর্নরেটের একেবারে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। প্রাদেশিক রাজধানী থেকে শহরটির দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার। আর বাব এল-মান্দেব প্রণালি থেকে এটি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার উত্তরে। জ্বালানি বাণিজ্য ও তেলবাহী জাহাজ চলাচলের বিশ্বের অন্যতম প্রধান নৌপথের কাছে অবস্থানের কারণে মোখা র কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এ কারণে শহরটির নিরাপত্তা লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
মোখায় জয়েন্ট ফোর্সেসের সদর দপ্তরও ছিল। এটি ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সঙ্গে যুক্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোষ্ঠীগুলোর একটি। এই বাহিনীগুলোর মধ্যে রয়েছে তারেক সালেহর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স, প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য আবু জারাআ আল-মুহাররামির নেতৃত্বাধীন সাউদার্ন জায়ান্টস ব্রিগেড এবং তিহামা রেজিস্ট্যান্স ব্রিগেড।
জয়েন্ট ফোর্সেসে প্রায় ৩০টি সামরিক ব্রিগেড রয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে সৌদি আরবের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এসব বাহিনীকে পুনর্গঠন ও নতুন কাঠামোয় সাজিয়ে পাঁচটি প্রধান ডিভিশন ও বাহিনীতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গার্ডিয়ানস অব দ্য রিপাবলিক, তিহামা ব্রিগেড, জারানিক ব্রিগেড ও জায়ান্টস ব্রিগেড। এর পাশাপাশি একটি নৌবাহিনী ইউনিট এবং বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনীও রয়েছে।
পর্যবেক্ষকেরা এসব বাহিনীকে বড় ধরনের আঘাত হানতে সক্ষম একটি শক্তিশালী বাহিনী এবং লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ রক্ষায় একটি সমন্বিত সামরিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতেন।
হুতি রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হিজাম আল-আসাদ দ্য নিউ আরবকে বলেন, ‘আমাদের ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী উপকূলীয় কিছু এলাকায় যে অভিযান পরিচালনা করেছে, তা ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক শান্তির জন্য হুমকি তৈরি করা চ্যালেঞ্জ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার মোকাবিলার কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত একটি অভ্যন্তরীণ জাতীয় অভিযান।’
তিনি আরও বলেন, ‘লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেব নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের চলাচল নিরাপদ ও স্বাভাবিক রয়েছে। এ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ ইয়েমেনের পক্ষ থেকে এগুলোর জন্য কোনো ঝুঁকি নেই।’ আসাদ বলেন, “বর্তমানে যে অভিযানগুলো চলছে, সেগুলোর নির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে, যা আগে ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো প্রতিরক্ষামূলক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। ”
বাব এল-মান্দেব র নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেখানে কোনো ফি বা মাশুল আরোপের পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।’
সানা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্ঞান উৎপাদন বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমিন আল-আরিয়ানি বলেন, আগের সময়ে সরকারি বাহিনী মূলত প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে ছিল। এর ব্যতিক্রম ছিল আল-জাওফে তাদের পাল্টা অভিযান। এসব অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হুতি বাহিনীকে ছড়িয়ে দেওয়া এবং মোখার ওপর চাপ কমানো। তিনি বলেন, হুতিদের মোখার দিকে অগ্রসর হওয়ার দৃঢ়তা এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি মেনে নিয়েও এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা থেকে বোঝা যায়, তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরিবর্তে দ্রুত অভিযান চালাতে চেয়েছিল।
আরিয়ানি বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই হামলার সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, হুতিদের পদক্ষেপগুলো ইরানের ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির ধাপ’-এর সঙ্গে একই সময়ে ঘটেছে বলে মনে হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বাব এল-মান্দেব কোনো ধরনের ফি বা সেবা-সংক্রান্ত ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে এবং বৈশ্বিক নৌ চলাচল পরিচালনার নিয়মও বদলে দিতে পারে।
সরকারি বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে আরিয়ানি বলেন, তাদের সক্ষমতা ও পারস্পরিক সমন্বয়ে কিছুটা উন্নতি হলেও এই যুদ্ধ পরীক্ষা করেছে, সরকার তার সামরিক কমান্ডকে একীভূত করতে পেরেছে কি না। তিনি বলেন, ‘এবং এটা স্পষ্ট যে তারা এখনো তা করতে পারেনি।’
আরিয়ানি বলেন, হুতিদের মতো অভিজ্ঞ একটি যুদ্ধরত বাহিনীর মোকাবিলায় নমনীয় সামরিক কৌশল, ঐক্যবদ্ধ কমান্ড এবং সুশৃঙ্খল প্রতিরক্ষা নীতি প্রয়োজন। তিনি বলেন, ড্রোন ও আকাশশক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার সংঘাতের ধরন বদলে দিয়েছে। তবে শুধু এগুলো দিয়েই যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
লড়াইয়ের সময় ভঙ্গুর সামরিক মনোবলের দিকেও আরিয়ানি ইঙ্গিত করেন। তাঁর মতে, হুতিরা এমন একটি তথ্যযুদ্ধ বা প্রচারণায় বিনিয়োগ করেছে, যা অন্যান্য ইউনিট থেকে অতিরিক্ত সেনা আসবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে। আরিয়ানি বলেন, হুতিদের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক অগ্রযাত্রার জন্য একই সময়ে বিভিন্ন ফ্রন্টে সমন্বিত ও একযোগে সেনা মোতায়েন প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এই সংঘাতে তা ঘটেনি।
আরিয়ানি বলেন, এই সামরিক বিপর্যয়ের পরও লড়াইটি ইয়েমেনিদের একটি বড় অংশের মধ্যে থাকা সেই প্রত্যাশাকে প্রতিফলিত করেছে যে সানার দিকে অগ্রসর হওয়া এবং আবারও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতে পারে। অন্তত মানসিক বা মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে এই প্রত্যাশা আবার দেখা দিয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় এখনো আসেনি। কারণ অত্যন্ত অস্থিতিশীল একটি পরিবেশে এই যুদ্ধ চলছে এবং সব ধরনের পরিস্থিতির সম্ভাবনাই এখনো খোলা রয়েছে।
আরিয়ানি বলেন, সৌদি আরবের হিসাব-নিকাশও এখনো অস্পষ্ট।
রিয়াদ ব্যাপক সামরিক অভিযানে পূর্ণ সমর্থনের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। একই সঙ্গে হুতিদের বিভিন্ন উসকানি থাকা সত্ত্বেও সৌদি আরব কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর জোর দিয়ে যাচ্ছে। তবে একই সময়ে সৌদি আরব ইয়েমেন সরকারকে তুলনামূলকভাবে উচ্চ মাত্রার সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সামরিকভাবে জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যে হিসাব-নিকাশ হয়েছে, তার অংশ সৌদি আরবও হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরিয়ানি বলেন, শেষ পর্যন্ত কোনো বাইরের রাষ্ট্র ইয়েমেনের পক্ষ হয়ে এই সংঘাতের সমাধান করতে পারবে না।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সীমান্ত পেরিয়ে হামলা ঠেকানোর স্বার্থ ইয়েমেন সরকারকে মিত্র জোগাতে পারে। তবে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় ঐক্যবদ্ধ ইয়েমেনি রাজনৈতিক ইচ্ছার বিকল্প এসব সহায়তা হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘কেউই দুর্বল একটি কড়ির ওপর নিজের পুরো শক্তি প্রয়োগ করবে না।’
আল আরাবি আল–জাদিদ থেকে অনুবাদ করেছেন আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রহমান