‘এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখার এক দশক পূর্ণ করেছেন দিশা পাটানি। ২০১৬ সালে তার অভিনীত প্রথম সিনেমাটি মুক্তি পায়। এক দশকের এই পথচলাকে অভিনেত্রী বলছেন ‘আবিষ্কারের সময়’। চলচ্চিত্রের সেটে কাজের প্রাথমিক বিষয়গুলো শেখা থেকে শুরু করে নিজের অভিনয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা—এই সময়ে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন দিশা। তিনি জানান, ‘এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ করার সময় সবকিছুই তার কাছে নতুন ছিল। কীভাবে একটি শুটিং সেট কাজ করে, ক্যামেরার সামনে কীভাবে দাঁড়াতে হয়, চরিত্রকে কীভাবে বুঝতে হয় এবং পরিচালকের নির্দেশনা কীভাবে অনুসরণ করতে হয়, সবই তখন শিখছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘তখন অনেকটাই সহজাত প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন নিজের অভিনয় সম্পর্কে আমার ধারণা অনেক পরিষ্কার এবং নিজের ওপর আস্থাও বেড়েছে।’ তবে এই আত্মবিশ্বাসকে কখনোই আত্মতুষ্টিতে পরিণত করতে চান না দিশা। তার মতে, এমন একটি জায়গায় তিনি কখনও পৌঁছাতে চান না, যেখানে মনে হবে সবকিছুই তিনি জানেন কিংবা পরিশ্রম ছাড়াই কোনও চরিত্রে অভিনয় করতে পারবেন। প্রতিটি নতুন চরিত্রের সঙ্গে থাকা অনিশ্চয়তাই অভিনয়কে তার কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে। দিশার মতে, সবচেয়ে বড় ভয় হবে অভিনয়ের প্রতি সেই কৌতূহল হারিয়ে ফেলা। এই কৌতূহলই তাকে নতুন ধরনের চরিত্রের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে। এমন চরিত্রে অভিনয় করতে চান তিনি, যেখানে শারীরিক সৌন্দর্য বা গ্ল্যামারের চেয়ে চরিত্রটিই হবে মূল আকর্ষণ। মনস্তাত্ত্বিক গল্প, চরিত্রনির্ভর থ্রিলার এবং চ্যালেঞ্জিং চরিত্রসমৃদ্ধ অ্যাকশন সিনেমা এখন দিশার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। বলিউডে নিজের পরবর্তী দশক নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, এবার আরও বেশি ঝুঁকি নিতে চাই। ভিন্ন ভিন্ন নির্মাতা, ভাষা ও ঘরানার সিনেমায় কাজ করতে চাই।’ দিশার কথায়, ‘আমি কোনও একটি নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্র বা ইমেজের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখতে চাই না।’
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।